to be whole again

রং বেরঙয়ের মানুষ

মানুষ ইগোসেন্ট্রিক প্রাণী ধরে নিয়ে যদি মানুষজনকে বিশ্লেষণ করতে যাই তাহলে বেসিক্যালি তিন ধরনের মানুষ পাওয়া যায়।

১) নবাবের ঘরের নবাব (people with inflated ego)

২) নিবেদিতপ্রাণ বান্দা (people with wounded ego) &

৩) মধ্যপন্থা উত্তম পন্থা (people with healthy ego)

১) ইনফ্লেটেট ইগোধারী যারা আছেন তারা মনে করেন তাদের কেন্দ্র করে সারা বিশ্ব জাহান ঘুরবে। এর ব্যত্যয় হলে তারা নিতে পারেনা। তাদের চাহিদা সবাই তাদেরকে সার্ভিস দিবে, কিন্তু অন্যদের প্রয়োজনে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবেনা।

২) wounded ইগোধারী যারা আছেন তারা মনে করেন দুনিয়া তাদের উপস্থিতি ছাড়া এক মুহূর্ত টিকবে না। তারা নিজেদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে যত না খেয়াল রাখে তার চেয়ে বেশী খেয়াল রাখে কে চায়ে কয় চামচ চিনি খায়। কার কোন খাবার ভালো লাগে। এইসব মানুষ সবার জন্য করতে করতে শেষ হয়ে যাবে তারপরও তার খেয়াল হবেনা শেষ কবে সে এক দণ্ড বসে আরাম করে এক কাপ চা খেয়েছিলো।

৩) healthy ইগোধারী বান্দারা যেমন অন্যের থেকে যত্নআত্তি নিতে আগ্রহী তেমনি অন্যদের জন্য কিছু করার অবকাশ খুঁজে পেলে না করে থাকতে পারেনা।

ইনফ্লেটেট ইগোধারী যেমন প্রব্লেমেটিক তেমনি wounded ইগোধারীরাও প্রব্লেমেটিক বটে।এই দুই টাইপের মানুষ নিজেরাও হয়তোবা বুঝতে পারেনা তাদের প্রব্লেমটা কোথায়। বাইরের মানুষ তাদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও তারা বেশীরভাগ সময়ই বুঝতে পারেনা। কেউই পারফেক্ট না, তবু healthy ইগোধারী যারা তারা সব সময় এই দুই টাইপ ইগোসেন্ট্রিক পার্সোনালিটি চেইকে রেখেছে। এজন্যই হয়তো বলা হয় মধ্যম পন্থা উত্তম পন্থা।

tamziadmin
tamziadmin
Articles: 91